অরণ্য, ঝাড়গ্রাম - ২৫শে মার্চ:
পোল্ট্রি ফার্মে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শ্রমিকদের। শ্রমিক দের প্রাপ্ত বেতন কমিয়ে মালিকের সাথে চুক্তি, তৃনমূলের শ্রমিক সংগঠনের ব্লক সভাপতি ও তৃনমূলের ব্লক সভাপতির।ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের চুনপাড়া এলাকায় মাইতি পোল্ট্রি ফার্ম। এখানে তৃনমূলের শ্রমিক সংগঠন যাদের কাজ শ্রমিকদের স্বার্থ দেখা। অথচ নির্দিষ্ট কিছু পাওনা গন্ডার বদলে মালিক পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করছেন তৃনমূলের দুই নেতা বলে অভিযোগ। একজন সাঁকরাইল ব্লকের আইএনটিটিইউসির ব্লক সভাপতি। অন্যজন তৃনমূলের ব্লক সভাপতি। সাঁকরাইল ব্লকের মাইতি পোল্ট্রি ফার্মে প্রায় ২০০ বেশী শ্রমিক এখানে কাজ করে। এদের কিছু স্থায়ী এবং কিছু চুক্তি ভিত্তিক। গত ৬ মাস আগেও এদের ৬ মাস ছাড়া ছাড়া নির্দিষ্ট টাকায় চুক্তি হতো। অভিযোগ সাঁকরাইল ব্লকের তৃনমূলের ব্লক সভাপতি কমলকান্ত রাউৎ এবং আইএনটিটিইউসি ব্লক সভাপতি ধীরেন্দ্র নাথ মাহাত ম্যানেজমেন্টের সাথে একতরফা মিটিং করে চুক্তিভিত্তিক লেবারদের টাকা কমিয়ে দেন অনেকটাই, শুধু তাই নয়। ৬ মাসের বদলে এগ্রিমেন্টের নিয়ম হয় ৫ মাসের। আর এরপরেই মালিক পক্ষ শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরন বাড়িয়ে দেয়। নানা রকম অত্যাচার চলে শ্রমিকদের উপর। কাজ থেকে ছাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। সৌজন্যে নতুন চুক্তি।
তারই প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেছে শ্রমিকরা। তাদের অভিযোগ বিজেপি থেকে আসা লোকদের দায়িত্ব দিয়েছে ব্লক সভাপতি কমলকান্ত রাউৎ। এতদিন যারা সুষ্ঠু ভাবে ইউনিয়ন চালাচ্ছিলো তাদের বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেদের স্বার্থে শ্রমিকদের টাকা কমিয়ে মালিকদের হয়ে কথা বলছে সাঁকরাইল তৃনমূলের ব্লক সভাপতি কমলকান্ত রাউৎ এবং তৃনমূল শ্রমিক সংগঠন এর ব্লক সভাপতি।
বিজেপির হাত শক্ত করতে ব্লক সভাপতি এরকম কাজ করেছে বলে অভিযোগ শ্রমিক তথা এলাকার তৃনমূল কর্মী দের। কমলরাউৎ কে পাওয়া না গেলেও ধীরন্দ্রনাথ মাহাত জানান শ্রমিকদের স্বার্থ দেখেই করা হয়েছে অ্যাগ্রিমেন্ট। সব শ্রমিক রাও নাকি খুশি। তবে খুশি হওয়া শ্রমিকরা আন্দোলনে কেনো গেলো? তার কোনো সদুত্তর নেই এই মালিক দরদী নেতাদের।